উদয়পুর , ২২ ফেব্রুয়ারি : এইচডিএফসি ব্যাঙ্কে আর্থিক কেলেঙ্কারিতে অভিযুক্ত সহকারি ম্যানেজার অভিষেক সরকারকে তিন দিনের পুলিশ রিমান্ডের আদেশ দিল আদালত। বেশ কয়েকদিন ধরে এইচডিএফসি ব্যাঙ্কে আর্থিক কেলেঙ্কারিতে গোমতী জেলার উদয়পুর শহর একেবারেই তোলপাড়।
কিছুদিন আগে নিয়তি সরকার, লোপামুদ্রা হোমরায় সহ উদয়পুরের তিনজন গ্রাহক উদয়পুর এইচডিএফসি ব্যাঙ্কের বিরুদ্ধে জমানো টাকা গায়েব হয়ে যাওয়ার মামলা দায়ের করলে বিষয়টি নিয়ে পুলিশ দফায় দফায় তদন্ত নামে। গোয়েন্দা সংস্থাও এই তদন্তে নিয়োজিত হয়। গ্রাহকদের মোট ৮২ টাকা লক্ষ টাকা লুটপাট হয়েছে বলে পুলিশ তথ্য প্রমাণ পেয়ে সহকারি ম্যানেজার অভিষেক সরকার, অভিষেকের ব্যবসায়ী পার্টনার তথা পুলিশ কনস্টেবল জয়ন্ত পাল এবং তার স্ত্রী প্রিয়াঙ্কা পালের বিরুদ্ধে তদন্তে নামে।
পুলিশ জানতে পারে, ব্যাঙ্কের অ্যাকাউন্ট থেকে বিপুল পরিমাণে টাকা অভিষেকের একাউন্টে এবং পরবর্তীতে অভিষেকের একাউন্ট থেকে প্রিয়াঙ্কা পালের একাউন্টে ট্রান্সফার করা হয়। কনস্টেবল জয়ন্তকে ক্লোজ করে এসপি অফিস থেকে রিজার্ভ পুলিশে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। আমতলও থেকে গ্রেফতার করা হয় সহকারি ম্যানেজার অভিষেক সরকারকে। শনিবার ছুটির দিনে জুডিশিয়াল মেজিস্ট্রেট ফাস্ট ক্লাস কোর্টের বিশেষ আদালত বসিয়ে অভিষেককে আদালতে তোলা হলে আদালত তাকে তিন দিনের জন্য পুলিশ রিমান্ডে পাঠায়।
মামলার তদন্তে তদন্তকারী পুলিশ অফিসার হিসেবে নিয়োজিত আছেন উদয়পুরের এসডিপিও। কিন্তু সম্প্রতিকালে এই ব্যাঙ্কে আর্থিক কেলেঙ্কারিতে বেরিয়ে আসছে আরো কিছু চাঞ্চল্যকর তথ্য। সূত্রের খবর অনুযায়ী এইচডিএফসি ব্যাঙ্কের আমানতকৃত ৮২ লক্ষ টাকা নয় ২ কোটিরও বেশি টাকা লুট হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। আর যেই সময়ে অভিষেকের একাউন্ট থেকে প্রিয়াঙ্কা পালের একাউন্টে অবৈধভাবে টাকা ট্রান্সফার হয়েছিল সেই সময় উদয়পুর এইচডিএফসসি ব্যাঙ্কে কর্মরত সহকারি ম্যানেজার সুমন বাবু এবং তৎকালীন শাখা সঞ্চালক নিয়েও বিভিন্ন মহলে প্রশ্ন উঠছে।