কুমারঘাট, ১৪ জুলাই : ত্রিপুরাজুড়ে রবিবার ১২ ঘন্টা বনধের ডাক দিয়েছিল রাজ্যের প্রধান বিরোধী দল সিপিএম তথা বামফ্রন্ট। দক্ষিণ ত্রিপুরা জেলার বিলোনিয়ায় সিপিআইএম কর্মী বাদল শীলের মৃত্যুর প্রতিবাদে রবিবার গোটা রাজ্যেই বনধের ডাক দেয় ত্রিপুরার প্রাক্তন শাসক দল। কিন্তু রাজ্যজুড়ে এই বনধ সর্বাত্মক সফল হয়নি বলেই অভিমত সচেতন নাগরিকদের।
বনধের দিনটি রবিবার অর্থাৎ ছুটির দিন হওয়ায় কোথাও কোথাও যেমন খোলেনি দোকানপাট তেমনি রাস্তায় নেই যান চলাচলও। কোথাও আবার বনধের সমর্থনে বন্ধ হাটবাজার। ঊনকোটি জেলার কুমারঘাট মহকুমাতেও আংশিক প্রভাব পড়েছে বনধের। এদিন তেমনভাবে রাস্তায় বের হননি মানুষ। খুলেনি দোকানপাটও। অনেকে আবার দোকান খুলে বসলেও ক্রেতা নেই তেমন। কুমারঘাটের ব্যবসায়ীরা জানালেন একেতো ছুটির দিন তার উপর বনধ সবমিলিয়ে ক্রেতা নেই বাজারে। তারা জানিয়েছেন বনধ মনেই ব্যবসায়ী, যানচালক থেকে সাধারণ মানুষের স্বাভাবিক জনজীবনে ছন্দপতন। বনধের জন্য ব্যবসায়ও ক্ষতির মুখে পড়তে হয় তাদেরকে।
এদিকে শহরের এক টটো চালক জানালেন, একেতো বনধ তার উপর ছুটির দিন হওয়াতে রাস্তায় লোকসমাগম নেই তেমন। তাছাড়া বনধ নিয়ে আগাম কোন প্রচারও করা হয়নি কুমারঘাট শহরে। রাস্তায় কোন বনধ আহ্বানকারীরও দেখা নেই। ফলে টটো নিয়ে বের হবার পরই বনধের বিষয়ে জানতে পেরেছেন তিনি। শহরের ছুটির দিনের এই দৃশ্য চিরাচরিত। তাই বনধ বলে বোঝা মুশকিল বলেই জানালেন ঐ টটো চালক। অন্যদিকে, মহকুমার শহর থেকে গ্রাম সর্বত্রই একই ছবি। সাধারণ মানুষের মতে বামেরা বনধ ডাকলেও এদিন বনধের সমর্থনে রাস্তায় নামেননি কোন পিকেটার। যদিও অপ্রীতিকর ঘটনা রুখতে শহর সহ তৎসংলগ্ন এলাকায় মোতায়েন ছিল নিরাপত্তা বাহিনী।