রাজ্যে ক্রীড়া ক্ষেত্রের বিকাশে পরিকাঠামোর উন্নয়নে সরকার গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে : মুখ্যমন্ত্রী

পানিসাগর, ২ জুলাই।। রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় সিন্থেটিক ট্র্যাক ও মাঠ গড়ে তোলা হচ্ছে। এজন্য খেলোয়াড়দের উন্নত প্রশিক্ষণের জন্যই সরকার এই উদ্যোগ নিয়েছে। আজ উত্তর ত্রিপুরা জেলার পানিসাগর আঞ্চলিক শারীর শিক্ষণ মহাবিদ্যালয়ের মাঠে নবনির্মিত ড. অরুনাভ রায় সিন্থেটিক অ্যাথলেটিক্স ট্র্যাকের উদ্বোধন করে মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর (ডা.) মানিক সাহা একথা বলেন।

শারীর শিক্ষণ মহাবিদ্যালয় প্রাঙ্গণে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, খেলো ইন্ডিয়া প্রকল্পে এই সিন্থেটিক ট্র্যাক নির্মিত হয়েছে। শুধু খেলাধুলার ক্ষেত্রে নয়, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি ক্ষেত্রের বিকাশে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির মার্গ দর্শন নিয়ে কাজ করছে রাজ্য সরকার। খেলাধুলাকে আরও জনপ্রিয় করে তোলার জন্য রাজ্য সরকার বহুমুখী ক্রীড়া পরিকাঠামো গড়ে তুলছে।

ইতিমধ্যেই উমাকান্ত মিনি স্টেডিয়ামে ও জিরানীয়ায় শচীন্দ্রনগর উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠে সিন্থেটিক ফুটবল মাঠ গড়ে তোলা হয়েছে। দশরথ দেব স্পোর্টস কমপ্লেক্সে সিন্থেটিক ট্র্যাক নির্মাণের কাজ চলছে। এতে রাজ্যের ছেলে মেয়েদের দক্ষতাও বাড়ছে। তিনি বলেন, জাতীয় ক্রীড়া প্রতিভা অনুসন্ধান প্রকল্পে ক্রীড়াক্ষেত্রে দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য আর্থিক সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। মুখ্যমন্ত্রী স্পোর্টস ডেভেলপমেন্ট স্কিমের অধীনে বেশ কিছু কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। এর মধ্যে আগরতলায় এনএসআরসিসি-তে বাস্কেটবল ও ভলিবল কোর্ট নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। উল্লেখ্য, পানিসাগরে এই সিন্থেটিক অ্যাথলেটিক্স ট্র্যাক নির্মাণে ব্যয় হয়েছে ৫ কোটি ৫৭ লক্ষ টাকা।

অনুষ্ঠানে যুব বিষয়ক ও ক্রীড়া মন্ত্রী টিংকু রায় বলেন, রাজ্যে ক্রীড়া পরিকাঠামোকে নতুন ভাবে সাজিয়ে তোলা হচ্ছে। রাজ্যে এই প্রথম রাজ্যেরই একজন ক্রীড়াবিদের নামে সিন্থেটিক ট্র্যাকের নামকরণ করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, রাজ্যে আর্থিক কারণে প্রতিভাবান খেলোয়াড়রা যাতে পিছিয়ে না থাকে সেজন্য ‘মুখ্যমন্ত্রী ক্রীড়া প্রতিভা অনুসন্ধান প্রকল্প’ চালু করা হয়েছে। নবনির্মিত এই সিন্থেটিক ট্র্যাক চালু হওয়ায় রাজ্যের খেলোয়াড়দের প্রতিভা আরও বিকশিত হবে বলে ক্রীড়ামন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন যুববিষয়ক ও ক্রীড়া দপ্তরের সচিব ড. প্রদীপ কুমার চক্রবর্তী।

তিনি বলেন, যুবাশক্তিকে নেশা থেকে দূরে রাখতে খেলাধুলার প্রতি আগ্রহী করে তুলতে হবে। অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বিধায়ক বিনয়ভূষণ দাস, বিধায়ক যাদবলাল নাথ, উত্তর ত্রিপুরা জিলা পরিষদের সভাধিপতি ভবতোষ দাস, উত্তর ত্রিপুরা জেলার জেলাশাসক ও সমাহর্তা দেবপ্রিয় বর্ধন প্রমুখ।

You May Also Like

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *