বিশালগড়, ১ জুন: সিপাহীজলা জেলার চড়িলাম বিদ্যাজ্যোতি স্কুলে পরীক্ষায় অকৃতকার্যের ফলে আত্মহত্যা করেছে এক ছাত্র। ছাত্রের নাম অমিত রায় ওরফে সাগর। বাড়ি চড়িলামের কালীটিলা এলাকায়।
মা-বাবার একমাত্র সন্তান অমিত ২০২৪ সালে চড়িলাম বিদ্যাজ্যোতি স্কুল থেকে মাধ্যমিক পরীক্ষায় এক নাম্বার কম পাওয়ায় তার ফলাফল ব্যাক আসে। স্কুলের শিক্ষক শিক্ষিকারা ছাত্র অমিত রায় উরফে সাগরকে বিভিন্নভাবে বকাবকি করেছেন বলে অভিযোগ। আর সেই খবর সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হওয়ার পর ছাত্রের বাবা সে খবর জানতে পেরে ছাত্র অমিত রায় ওরফে সাগরকে বাড়িতে বিভিন্নভাবে বকাবকি করে।
তাতে অপমানিত হয়ে গত সোমবার ঘাস মারার ঔষধ খেয়ে ফেলে অমিত। তারপর পরিবারের লোকেরা দেখতে পেয়ে তাকে প্রথমে বিশালগড় মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যায়। তারপর সেখান থেকে আগরতলা হাঁপানিয়ায় টিএমসি হাসপাতালে নিয়ে যায়। দীর্ঘ পাঁচ দিনের চিকিৎসকদের সমস্ত চেষ্টা ব্যার্থ করে শুক্রবার মধ্যরাতে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে অমিত রায় ওরফে সাগর।
শনিবার দুপুরে অমিত রায়ের মৃতদেহ বাড়ি নিয়ে আসলে কান্নায় ভেঙে পড়েন আত্মীয়-স্বজন বন্ধু-বান্ধব পাড়া প্রতিবেশীরা। এদিকে এলাকাবাসীর অভিযোগ এই ছাত্র মাধ্যমিক পরীক্ষায় এক নম্বর কম পাওয়ার ফলে স্কুলের শিক্ষক শিক্ষিকারা এবং বাড়ির অভিভাবকরা তাকে বিভিন্নভাবে বকাবকি করেন। তাতে অভিমানে ঘাস মারার ঔষধ খেয়ে আত্মহত্যা করেছে অমিত। ঘটনায় গোটা এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।