কুমারঘাট, ৩০ ডিসেম্বর।। পূর্বের শত্রুতার জেরে দুই প্রতিবেশীর মধ্যে ধুন্দুমার কান্ড। এতে আহত কাউন্সিলার সহ দুই পক্ষের মধ্যে মোট চারজন। জানা গিয়েছে, তিন মাস পূর্বে কুমারঘাট পুর পরিষদের ৭নং ওয়ার্ড এলাকার বাসিন্দা রিপন দাস সহ মোট আট জনের নামে একটি এনডিপিএস মামলা হয়েছিল। সেই রেশ ধরে বাদে ঝগড়া।
কুমারঘাট পুর পরিষদের ৭নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলার টুটন দাস বিকশিত ভারত সংকল্প যাত্রার প্রচারের কাজে ৭ নং ওয়ার্ডের অর্চনা দাসের বাড়িতে যায়। তখন ফেরার পথে রিপন দাশের বাড়ির সামনে বাদে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ। এতে কাউন্সিলার টুটন দাসের পা হাত এবং মাথায় চোট লাগে। এতে কাউনন্সিলার টুটন দাশের বৌদিও আহত হন।
এদিকে কাউন্সিলার টুটন দাস কুমারঘাট থানাতে ৭জনের নামে অভিযোগ দায়ের করেন। এরা হলেন রিপন দাস, সীমা দেব দাস, লিপ্টন দাস, রূপদীপ দাস, দেবাশীষ দাস, রাখি আচার্জী, দিবাকর দাস।
রিপন দাসের স্ত্রী সীমা দাসের বক্তব্য অনুসারে জানা যায়, ৭ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলার টুটন দাস তিন মাস পূর্বে রিপন দাস যখন মাদক মামলায় কৈলাসহরের জেল হাজতে ছিলেন তখন টুটন দাস নাকি সীমা দাসের বাড়িতে গিয়ে খুব যন্ত্রণা দিয়েছিল বলে অভিযোগ করেন রিপন দাসের স্ত্রী। এর মধ্যে রিপন দাসের বাড়িতে গিয়ে রিপন দাসের স্ত্রীর সঙ্গে কুপ্রস্তাব দেওয়ার চেষ্টা করে বলে অভিযোগ করেন। রিপন দাসের স্ত্রী আরও বলেন যে রিপন দাসের ছেলে রুপদ্বীপ দাস ও রিপন দাসের বোনের জামাই অজিত দাসও আহত হন। সংবাদ মাধ্যমের সামনে মুখোমুখি হয়ে দুই পক্ষ বিস্তারিত তথ্যগুলো তুলে ধরেন।