২০২২-২৩ অর্থবর্ষে এডভান্স এস্টিমেট অনুসারে ত্রিপুরার অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির হার ৮.৮৯ শতাংশ

স্টাফ রিপোর্টার, আগরতলা, ২৫ সেপ্টেম্বর।। ২০২২-২৩ অর্থবর্ষে এডভান্স এস্টিমেট অনুসারে ত্রিপুরার অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির হার হচ্ছে ৮.৮৯ শতাংশ। সোমবার সচিবালয়ের প্রেস কনফারেন্স হলে আয়োজিত সাংবাদিক সম্মেলনে পরিকল্পনা (পরিসংখ্যান) দপ্তরের বিশেষ সচিব অভিষেক চন্দ্র এ সংবাদ জানান। সাথে তিন যোগ করেন, রাজ্যে জাতীয় নমুনা সমীক্ষার ৭৯তম রাউন্ডের কাজ সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। সার্বিক বার্ষিক মডিউলার সার্ভে ও আয়ুষের উপর রাজ্যের ৮টি জেলার ২৮৮টি গ্রামীণ এবং ১৫২টি শহর এলাকার নমুনা সংগ্রহ করে এই সমীক্ষা করা হয়। সমীক্ষার কাজটি ১ জুলাই ২০২২ থেকে শুরু হয়ে গত ৩১ জুন ২০২৩ পর্যন্ত কম্পিউটার এইডেড পার্সোনাল ইন্টারভিউয়ের মাধ্যমে সম্পন্ন করা হয়।

তিনি জানান, অর্থনৈতিক উন্নয়ন, প্রবৃদ্ধি, মাথাপিছু গড় আয় পরিমাপের জন্য গ্রস স্টেট ডোমেস্টিক প্রোডাক্ট (জিএসডিপি) বা রাজ্যের আয় সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সূচক। গ্রস স্টেট ডোমেস্টিক প্রোডাক্ট (জিএসডিপি) ৭২,৬৩৫.৬২ কোটি টাকা ও রাজ্যে মাথাপিছু গড় আয় হচ্ছে ১ লক্ষ ৫৯ হাজার ৪১৯ টাকা। ২০২২-২৩ অর্থবর্ষে এডভান্স এস্টিমেট অনুসারে জিএসডপিতে প্রাইমারি সেক্টর ৪৪.৩৫ শতাংশ, সেকেন্ডারি সেক্টর ১০.৫০ শতাংশ এবং টার্শিয়ারি সেক্টরের ৪৫.১৫ শতাংশ কন্ট্রিবিউশন রয়েছে।

সাংবাদিক সম্মেলনে পরিকল্পনা (পরিসংখ্যান) দপ্তরের বিশেষ সচিব জানান, প্রয়াত অধ্যাপক পি সি মহালানবিশের জন্মবার্ষিকী উপলক্ষ্যে চলতি বছরের ২৯ জুন, ত্রিপুরায় ১৭তম পরিসংখ্যান দিবস উদযাপিত হয়। এই অনুষ্ঠানে ৩টি পরিসংখ্যান প্রকাশনা প্রকাশিত হয়। এগুলি হল গ্রামীণ ত্রিপুরায় কৃষি পরিবার, জমি ও প্রাণী সম্পদের পরিস্থিতি মূল্যায়ন – ২০১৯, লিঙ্গ পরিসংখ্যান, ত্রিপুরা- ২০২১-২২ এবং ত্রিপুরার কিছু প্রাথমিক পরিসংখ্যান -২০২২। বিশেষ সচিব শ্রীচন্দ্রা ভারত সরকারের নীতি আয়োগের প্রকাশিত সুস্থায়ী উন্নয়নের লক্ষ্যপূরণে বিভিন্ন পর্যায়ে অগ্রগতির সূচকে ত্রিপুরার অবস্থান তুলে ধরেন।

তিনি জানান, ২০২০-২১ অর্থবর্ষে নীতি আয়োগের প্রকাশিত সুস্থায়ী উন্নয়নের লক্ষ্য পূরণের অগ্রগতির সূচকে ত্রিপুরার কম্পোজিট স্কোর হচ্ছে ৬৫, যা ২০১৮ সালে ছিল ৫৫। ২০২৩ সালে ভারত সরকারের নীতি আয়োগের প্রকাশিত বহুমাত্রিক দারিদ্র্য সূচকে ত্রিপুরার স্কোর হল ০.০৫৬, যা ২০১৫-১৬ অর্থবর্ষে ছিল ০.০৭৫। তিনি জানান, ২০১৯ সালের আগস্ট মাসে দপ্তর ‘ভিশন-২০৩০’, ৭ বছরের কৌশল, ৩ বছরের কর্মপরিকল্পনা এবং সূচক’ প্রকাশ করেছে। প্রসঙ্গত, সাংবাদিক সম্মেলনে পরিকল্পনা (পরিসংখ্যান) দপ্তরের অধিকর্তা নগেন্দ্র দেববর্মা এবং অতিরিক্ত অধিকর্তা অরূপ কুমার চন্দ উপস্থিত ছিলেন।

You May Also Like

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *