অনলাইন ডেস্ক, ৬ মার্চ।। ভারতে চিকিৎসা ব্যবস্থাকে সাশ্রয়ী করে তোলাই কেন্দ্রীয় সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার। দেশবাসীর উদ্দেশে বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। প্রধানমন্ত্রীর কথায়, আয়ুষ্মান ভারত-এর অধীনে ৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত বিনামূল্যে চিকিৎসা সুবিধার নেপথ্যে সেই চিন্তাভাবনাই রয়েছে। এর অধীনে চিকিৎসার জন্য ব্যয় করা প্রায় ৮০ হাজার কোটি টাকা সাশ্রয় হয়েছে।
সোমবার বাজেট পরবর্তী একটি ওয়েবিনারে বক্তব্য রাখেন প্রধানমন্ত্রী মোদী। এই ওয়েবিনারের বিষয় হল-“স্বাস্থ্য ও মেডিকেল গবেষণা। ওয়েবিনারে বক্তব্য রাখার সময় প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, গুরুতর রোগের জন্য দেশে গুণমানসম্পন্ন ও আধুনিক স্বাস্থ্য পরিকাঠামো অতীব গুরুত্বপূর্ণ। সরকারের লক্ষ্য সেই দিকেও রয়েছে, যাতে মানুষ নিজেদের বাড়ির কাছে পরীক্ষার সুবিধা পান এবং প্রাথমিক চিকিৎসার জন্য আরও ভাল সুবিধা থাকে।
এর জন্য দেশে ১.৫ লক্ষ স্বাস্থ্য ও সুস্থতা কেন্দ্র তৈরি করা হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী আরও বলেছেন, স্বাধীনতার পর থেকে কয়েক দশক ধরে স্বাস্থ্যের ক্ষেত্রে একটি সমন্বিত দৃষ্টিভঙ্গি এবং দীর্ঘমেয়াদী দৃষ্টিভঙ্গির অভাব ছিল। আমরা স্বাস্থ্যসেবাকে শুধুমাত্র স্বাস্থ্য মন্ত্রকের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখিনি বরং পুরো সরকারী পদ্ধতির উপর জোর দিয়েছি।
কোভিড পরিস্থিতির কথা স্মরণ করে প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, করোনা আমাদের বুঝিয়ে দিয়েছে, যখন এই ধরনের সংকট দেখা দেয়, তখন সমৃদ্ধ দেশগুলির উন্নত ব্যবস্থাও ভেঙে পড়ে। বিশ্ব এখন স্বাস্থ্যের দিকে অনেক বেশি মনোযোগী। কিন্তু ভারতের দৃষ্টিভঙ্গি শুধু স্বাস্থ্যসেবাতেই সীমাবদ্ধ নয়, আমরা সুস্থতার জন্যও কাজ করছি। মোদী বলেছেন, করোনা আমাদের এও শিখিয়েছে যে সাপ্লাই চেইন একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।
যখন মহামারী চরমে ছিল, তখন কিছু দেশের জন্য ওষুধ, ভ্যাকসিন এবং চিকিৎসা যন্ত্রের মতো জীবন-রক্ষাকারী জিনিসগুলিও অস্ত্রে পরিণত হয়েছি। প্রধানমন্ত্রীর কথায়, তাই আমরা বিশ্বের সামনে একটি দৃষ্টিভঙ্গি রেখেছি, ‘এক পৃথিবী, এক স্বাস্থ্য’ – সবার জন্য সামগ্রিক স্বাস্থ্যসেবা।