অনলাইন ডেস্ক, ৯ নভেম্বর।। দুর্দান্ত ফিল্ডিং আর আঁটোসাটো বোলিংয়ে ভালোই চেপে ধরেছিলেন পাকিস্তানি বোলাররা। তাতে পাওয়ার প্লেতেই চাপে পড়ে নিউজিল্যান্ড। প্রথম ১০ ওভারে আসেনি বলার মতো কোনো সংগ্রহ।
শঙ্কা জেগেছিল লো স্কোরিং ম্যাচের। সেখান থেকেই ঘুরে দাঁড়ানোর ভারটা নিজের কাঁধে নিলেন অধিনায়ক কেইন উইলিয়ামসন। মন্থর তবে কার্যকর ইনিংসে যেন পথ দেখে কিউইরা। সেই পথই অনুসরণ করলেন ডেরেল মিচেল। তার অর্ধশত রানের ইনিংসে ভর করে শেষ পর্যন্ত ১৫২ রানের সংগ্রহ পায় তারা।
শাহিন আফ্রিদির পেস তোপে শুরুতেই ফিরে যান ফিন অ্যালেন। তবে ডেভন কনওয়ে দ্রুত রান তোলায় ব্যস্ত ছিলেন। কিন্ত রান আউট হয়ে ফিরে যান তিনিও। দুই টপ অর্ডারকে হারিয়ে চাপে পড়ে নিউজিল্যান্ড। তখন কিউইদের ত্রাতা হয়ে আসেন কেইন উইলিয়ামসন। মন্থর ব্যাটে সিঙ্গেল-ডাবল সংগ্রহ করে সচল রাখেন রানের চাকা। তবে চারে গ্লেন ফিলিপসও আউট হয়ে নাওয়াজের স্পিনে কাবু হয়ে।
এরপরই যেন বদলে যায় দৃশ্যপট। এক প্রান্তে উইলিয়ামসনের রক্ষণাত্মক ব্যাটিং, আর অন্যপ্রান্তে আসা ডেরেল মিচেলের আক্রমণত্মক শট খেলা জমিয়ে তুলে। মিচেলকে দেখেই যেন বাউন্ডারিতে আগ্রহ বাড়ে অধিনায়কের। ইনিংসের ২৯ তম বলে গিয়ে প্রথম বাউন্ডারির দেখা পান তিনি। তাতেই ধীরে ধীরে এগিয়ে যাচ্ছিলেন অর্ধশত রানের দিকে।
কিন্তু শেষ পর্যন্ত ফিফটির আগেই তাকে ফিরতে হয়। ৪২ বলে ১ ছক্কা আর ১ চারে ৪৬ রান করে আউট হন তিনি। তবে কেইন ফিরে গেলেও অর্ধশতক পেয়ে অপরাজিত থেকে মাঠ ছাড়েন ডেরেল মিচেল। ৩৫ বলে ৫৩ রান করে অপরাজিত থাকেন তিনি। তার ইনিংসটি সাজানো ছিল তিনটি চার ও একটি ছক্কায়।
এই দুজনের ব্যাটে ভর করেই নিউজিল্যান্ড পায় ১৫২ রানের পুঁজি। ২৪ রান দিয়ে শাহিন আফ্রিদি দুটি এবং ১২ রান দিয়ে ১ উইকেট সংগ্রহ করেছেন নাওয়াজ।
সিডনি ক্রিকেট গ্রাউন্ডে (এসসিজি) ১৫৩ রানের লক্ষ্যে একটু পর ব্যাট করতে নামবে পাকিস্তান। মাঠের যে উইকেটে খেলা হচ্ছে সেই উইকেট আগে ব্যবহার করা হয়েছে। ম্যাচ এগিয়ে চলার সঙ্গে উইকেটও মন্থর হয়ে উঠে। নিউজিল্যান্ডে দুজন করে বিশেষজ্ঞ স্পিনার আছেন। তবে নিউজিল্যান্ডের জিমি নিশাম ও ড্যারেল মিচেলের মিডিয়াম পেসও কার্যকর হয়ে উঠতে পারে।