সাংস্কৃতিক কর্মসূচির পাশাপাশি ক্লাবগুলি সামাজিক কাজেও ভূমিকা পালন করছে : মুখ্যমন্ত্রী

স্টাফ রিপোর্টার, আগরতলা, ১৫ আগস্ট।। ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক কর্মসূচির পাশাপাশি ক্লাবগুলি সামাজিক কাজেও অন্যতম ভূমিকা পালন করছে। ক্লাবগুলি বছরব্যাপী রক্তদান, মরণোত্তর চক্ষুদান ও দেহদানের মতো মহান কর্মসূচি নিচ্ছে।

আজ ৭৬তম স্বাধীনতা দিবস উদযাপন উপলক্ষে আগরতলার সংহতি ক্লাব ও আলোকসংঘের স্বেচ্ছা রক্তদান শিবিরের উদ্বোধন করে মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর (ডা.) মানিক সাহা একথা বলেন।

সংহতি ক্লাবের অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, যে সমস্ত বীর সংগ্রামীদের রক্তের বিনিময়ে দেশ স্বাধীনতা অর্জন করেছে আজ তাদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানোর দিন। দেশের অখন্ডতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় শপথের দিনও আজ। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ২০২১ সালে সবরমতী আশ্রম থেকে স্বাধীনতার ৭৫ বর্ষপূর্তি উপলক্ষে আজাদি কা অমৃত মহোৎসব পালনের ঘোষণা দেন।

এই অমৃত মহোৎসব চলবে আগামী ২০২৩ সালের ১৫ আগস্ট পর্যন্ত। প্রধানমন্ত্রী সর্বদা দেশ ও দেশের জনগণের কল্যাণে চিন্তা ভাবনা করে থাকেন। প্রধানমন্ত্রীর এই চিন্তা ভাবনা আমাদের কাজ করার শক্তি যোগায়। স্বাধীনতার ৭৫ বর্ষপূর্তি উপলক্ষে সংহতি ক্লাব রক্তদান, মরণোত্তর দেহদান ও চক্ষুদানের মতো কর্মসূচির আয়োজন করায় ক্লাব কর্তৃপক্ষকে তিনি ধন্যবাদ জানান।

অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন বিধায়ক সুরজিৎ দত্ত, আগরতলা পুরনিগমের মেয়র দীপক মজুমদার, কাঠিয়াবাবা আশ্রমের অধ্যক্ষ সদানন্দ দাস কাঠিয়াবাবা, পুরনিগমের কর্পোরেটর অভিষেক দত্ত প্রমুখ। অনুষ্ঠানে মরণোত্তর দেহদান করেন ৫ জন ও চক্ষুদান করেন ১ জন। রামনগর ৬ নং রোডের আলোকসংঘের রক্তদান শিবিরের উদ্বোধন করে মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর (ডা.) মানিক সাহা বলেন, রক্তদান এক মহৎ দান। এর বিকল্প নেই।

মুখ্যমন্ত্রী বলেন, দেশে এখন আজাদি কা অমৃত মহোৎসব চলছে। দেশের প্রধানমন্ত্রী উন্নত ভারত গড়ে তোলার লক্ষ্যে বিভিন্ন কর্মসূচি নিয়েছেন। এই লক্ষ্য পূরণে আমাদের সবাইকে অঙ্গীকারবদ্ধ হতে হবে। অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন বিধায়ক সুরজিৎ দত্ত।

উপস্থিত ছিলেন আগরতলা পুরনিগমের মেয়র দীপক মজুমদার, পুরনিগমের কর্পোরেটর স্নিগ্ধা দাস দেব, ত্রিপুরা হস্ততাঁত ও হস্তকার উন্নয়ন নিগমের চেয়ারম্যান বলাই গোস্বামী, আলোকসংঘের সভাপতি চন্দন চক্রবর্তী, সাধারণ সম্পাদক জয়ন্ত দত্ত প্রমুখ।

আলোকসংঘের রক্তদান শিবিরে ২৮ জন রক্তদান করেন। অনুষ্ঠানে আলোকসংঘের পক্ষ থেকে প্রয়াত স্বাধীনতা সংগ্রামী হরেন্দ্রনাথ ভট্টাচার্য ও রামতরণ ভট্টাচার্যের পরিবার। পরিজনদের সংবর্ধনা জ্ঞাপন করা হয়।

You May Also Like

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *