অনলাইন ডেস্ক, ১৬ জুলাই।। দীর্ঘ ২৮ মাসের প্রতীক্ষার অবসান, উত্তর প্রদেশের বুন্দেলখন্ড এক্সপ্রেসওয়ের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। শনিবার উত্তর প্রদেশের জালাউন জেলার ওরাই তেহসিলের অন্তর্গত কাইথেরি গ্রাম থেকে বুন্দেলখন্ড এক্সপ্রেসওয়ের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন উত্তর প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথও।
২৯৬ কিলোমিটার বিস্তৃত চার লেনের এই এক্সপ্রেসওয়েটি উত্তর প্রদেশ এক্সপ্রেসওয়েজ ইন্ডাস্ট্রিয়াল ডেভেলপমেন্ট অথরিটি-র তত্ত্বাবধানে প্রায় ১৪ হাজার ৮৫০ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত হয়েছে, পরবর্তীতে এই এক্সপ্রেসওয়ে ছয় লেন পর্যন্ত প্রসারিত করা যেতে পারে। ২০২০ সালের ২৯ ফেব্রুয়ারি এই এক্সপ্রেসওয়ের শিলান্যাস করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী।
এদিন বুন্দেলখন্ড এক্সপ্রেসওয়ে উদ্বোধন করার পর প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, “এই অঞ্চলে নিরবচ্ছিন্ন যোগাযোগ এবং অর্থনৈতিক অগ্রগতি নিশ্চিত করবে এই এক্সপ্রেসওয়ে। এই এক্সপ্রেসওয়ের সৌজন্যে এই অঞ্চলে শিল্পের বিকাশ ঘটবে। মোদী এবং যোগী সরকার উন্নয়নকে শুধুমাত্র শহরে নয়, গ্রামেও নিয়ে যাবে।” প্রধানমন্ত্রী আরও বলেছেন, “আমরা নিজেদের সময়সীমা অনুসরণ করি।
দিল্লি-মেরঠ এক্সপ্রেসওয়ের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়েছিল এবং আমাদের দ্বারাই উদ্বোধন করা হয়েছে। বুন্দেলখন্ড এক্সপ্রেসওয়ের ক্ষেত্রেও এমনটা হয়েছে। পরের বছরের ফেব্রুয়ারিতে এই এক্সপ্রেওয়ে খোলার কথা ছিল, কিন্তু আমরা শুধুমাত্র নিজেদের সময়সীমা অর্জনই করিনি, তা অতিক্রম করেছি।”
মোদী বলেছেন, “উত্তর প্রদেশে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে, একইসঙ্গে যোগাযোগও বৃদ্ধি হচ্ছে।” এই এক্সপ্রেসওয়েটি চিত্রকূট জেলার ভরতকূপের কাছে গোন্ডা গ্রামে ৩৫ নম্বর জাতীয় সড়ক থেকে এটাওয়া জেলার কুদ্রাইল গ্রামের কাছে প্রসারিত, যেখানে এটি আগ্রা-লখনউ এক্সপ্রেসওয়ের সঙ্গে মিলিত হয়েছে।
এক্সপ্রেসওয়েতে যে সাতটি জেলার মধ্য দিয়ে গিয়েছে, সেই জেলাগুলি হল-চিত্রকূট, বান্দা, মাহোবা, হামিরপুর, জালাউন, আউরাইয়া এবং এটাওয়াহ। এই অঞ্চলে যোগাযোগ বৃদ্ধির পাশাপাশি, অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও কর্মসংস্থান বৃদ্ধটিতে এই বুন্দেলখন্ড এক্সপ্রেসওয়ে সহায়ক হবে বলে মনে করা হচ্ছে।