স্টাফ রিপোর্টার, গন্ডাছড়া, ২৪ মে।। গ্রামবাসীদের পূর্ণ নিরাপত্তার তাগিদে পুরাতন এস পি ও ক্যাম্পে এস পি ও এবং পুলিশ কন্সটেবলের দাবিতে গন্ডাছড়া মহকুমা থানা ঘেরাও করলো গ্রামীণ প্রমিলা বাহিনী। প্রায় দুই ঘন্টা থানা ঘেরাও -র পর থানার ওসি-র কাছ থেকে প্রতিশ্রুতি পেয়ে থানা ঘেরাও মুক্ত করে ঘেরাওকারীরা।
ঘটনা মঙ্গলবার। ওইদিন গন্ডাছড়া মহকুমা থানার অন্তর্গত লক্ষ্মীপুর এ ডি সি ভিলেজের কৃষ্ণপুর গ্রামের শতাধিক মহিলা ঐক্যবদ্ধভাবে আচমকা গন্ডাছড়া থানা ঘেরাও করে। হতচকিত হয়ে পড়ে থানার পুলিশ। ঘেরাওকারীদের অভিযোগ পূর্বে কৃষ্ণপুর গ্রামে একটি শক্তিশালী এস পি ও ক্যাম্প ছিল। তৎকালীন সময়ে এস পি ও কর্মীদের তৎপরতায় কৃষ্ণপুর গ্রামের সকল অংশের মানুষজন পূর্ণ নিরাপত্তায় ছিল। সম্প্রতি গ্রামবাসীদের সঙ্গে প্রতারনা করে ওই এস পি ও ক্যাম্পটি প্রায় গুটিয়ে আনে মহকুমা আরক্ষা প্রশাসন।
বর্তমানে ওই এস পি ও ক্যাম্প -এ তিন চার জন লাঠিধারী এস পি ও জওয়ান রয়েছে। কোন ঘটনা ঘটলে এস পি ও জওয়ানরা নিজেদের প্রাণ বাঁচাতে গ্রামবাসীদের বাড়িতে নিরাপদ আশ্রয়ের জন্য ছোটতে হয়। শুধু তাই নয় প্রায় প্রতিদিন হাস মোরগ ছাগল চুরির ঘটনা ঘটে চলেছে কৃষ্ণপুর গ্রামে। সোমবার রাতেও ঘটেছে তিনটি গরু চুরির ঘটনা। গ্রামবাসীদের অভিযোগ সম্পূর্ণ নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে গ্রামবাসীরা। ফলে কৃষ্ণপুর গ্রামের সকল অংশের মানুষের পূর্ণ নিরাপত্তার দাবিতে থানা ঘেরাও করে মহিলারা।
ঘেরাও স্থল থেকে সাত জনের এক প্রতিনিধি দল গন্ডাছড়া মহকুমা থানার ওসি পলাশ দত্তের সঙ্গে স্বাক্ষাৎ করে ধলাই জেলার এস পি -র উদ্দেশ্যে ওসি হাতে একটি স্মরক লিপি তুলে দেন। স্মরক লিপিতে ঘেরাওকারীরা দাবী জানান অবিলম্বে কৃষ্ণপুর এস পি ও ক্যাম্পে এস পি ও জওয়ানদের সংখ্যা বাড়িয়ে পাঁচ জন পুলিশ নিয়োগ করে গ্রামবাসীদের পূর্ণ নিরাপত্তার ব্যবস্থা করতে হবে। অনতিবিলম্বে যদি তাদের দাবী পূরণ না হয় তাহলে পুনরায় তারা বৃহত্তর আন্দোলনে সামিল হবে গ্রামবাসীরা।