স্টাফ রিপোর্টার, আগরতলা, ৭ মে।। জীবনে সাফল্য পেতে হলে ব্যক্তির নিজের মনকে স্থির রাখার অনুশীলন করা প্রয়োজন। আর মেডিটেশনই পারে ব্যক্তির মনকে ধীর স্থির রাখতে। দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি নিজের মনকে স্থির রেখে জনগণের কল্যাণে কাজ করে যাচ্ছেন। আজ আড়ালিয়ার তপোভূমিতে প্রজাপিতা ব্রহ্মকুমারী ঈশ্বরীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ত্রিপুরা শাখার ঈশ্বর সেবার রজত জয়ন্তী উৎসবের উদ্বোধন করে মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব কুমার দেব একথা বলেন। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, প্রত্যেক মানুষের প্রয়োজন নিজের ভেতরের ভালো গুণকে সঠিকভাবে জানা। কিন্তু দেখা যায় মানুষ সর্বদা বাস্ত থাকে পরের দোষ গুণকে বিচার করতে। মানুষ যদি নিজেকে ভালোভাবে জানতে পারে তাহলে বিশ্বকে জানাও সম্ভব হয়। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, সবার মধ্যেই ইতিবাচক মনোভাব থাকা আবশ্যক। এই ইতিবাচক মনোভাবই মানুষকে কাজ করার শক্তি প্রদান করে। দেশের প্রধানমন্ত্রীর ইতিবাচক মনোভাবের ফলেই মানুষ বর্তমানে জন্ম থেকে মৃত্যু পর্যন্ত বিভিন্ন প্রকল্পের সুযোগ লাভ করতে পারছেন। প্রধানমন্ত্রী এখন পর্যন্ত যতগুলি প্রকল্প চালু করেছেন তা সময়ের মধ্যে শেষ করার উপর গুরুত্ব দিয়েছেন। বিগত দিনের কেন্দ্রীয় সরকারগুলি যদি সময়ের কাজ সময়ের মধ্যে শেষ করতে পারতো তবে দেশ অনেক আগেই উন্নতি শিখরে পৌঁছে যেতো। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী ঘোষণা দিয়েছেন জল জীবন মিশনের মাধ্যমে আগামী ২০২৪ সালের মধ্যে প্রত্যেক পরিবারে বিনামূল্যে পানীয়জলের সংযোগ প্রদান করার। রাজ্য সরকারও প্রধানমন্ত্রীর মার্গদর্শনে রাজ্যের প্রতিটি পরিবারে বিনামূল্যে পানীয়জল পৌঁছানোর লক্ষ্যে কাজ করছে। ২০১৮ সালের আগে যেখান ২.৪ শতাংশ বাড়িতে পানীয়জল পৌঁছানো হয়েছিল তা বর্তমানে বেড়ে ৫৫ শতাংশে পৌঁছেছে। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, বিশ্বকে পরিবর্তন করতে হলে আগে নিজেকে পরিবর্তন করতে হবে। কাজটি কঠিন হলেও তার প্রচেষ্টা জারি রাখতে হবে। অনুষ্ঠানে এছাড়াও বক্তব্য রাখেন বিধায়ক রেবতী মোহ দাস, ব্রহ্মকুমারীজের ত্রিপুরা ও বাংলাদেশ চাপ্টারের দায়িত্বপ্রাপ্ত বি কে কবিতা দিপিজি, ব্রহ্মকুমারীজের গুজরাট সেন্টারের ডিরেক্টর বি কে সারদা দাদিজি, ব্রহ্মকুমারীজের যুগ্ম প্রধান বিকে সন্তোষ দিদিজি। উপস্থিত ছিলেন আগরতলা পুরনিগমের মেয়র দীপক মজুমদার, বিধায়ক ডা. দিলীপ কুমার দাস, ত্রিপুরা বিধানসভার উপাধ্যক্ষ বিশ্ববন্ধু সেন প্রমুখ। অনুষ্ঠানে ব্রহ্মকুমারীজের বোনেরা মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব কুমার দেব সহ অন্যান্যদের হাতে উপহার তুলে দেন।