স্টাফ রিপোর্টার, ধর্মনগর, ২ মে।। আজ সকাল দশটা ১৬ মিনিটে ধর্মনগর পূর্ত দপ্তরের অফিসে গেলেন বিধায়ক বিশ্নবন্ধু সেন। সেখানে গিয়ে যা দেখলেন তা সোশ্যাল মিডিয়ায় তুলে ধরতে গিয়ে বিধায়ক জানান, অনুতাপের বিষয় গ্রুপ-ডি এর একজন দিদিমণি আর একজন ভদ্রলোককে অফিসে পেলাম। পূর্ত দপ্তরের অফিস সংলগ্ন সমস্ত অফিসে একই দৃশ্য। নিজের কাছেই নিজেকে খুব লজ্জিত বলে ভাবছিলাম। আমরা কোথায় আছি? বেলা সাড়ে দশটা পর্যন্ত মাত্র চারজন। বাকিটা বিচার করবেন জনগণ। প্রসঙ্গত, রাজ্য সরকারের কর্মচারীদের বেতন ভাতা নিয়ে সরকার বরাবরই আন্তরিক। তাতে কোন সন্দেহ নেই। তারপরও অফিসে গিয়ে কাজ করার মন মানসিকতা নেই কর্মীদের একাংশের। দুদিন আগে প্রাণী সম্পদ বিকাশ দপ্তরের এক আধিকারিক বেলা বারোটার পর অফিসে নেই। হাতেনাতে পাকড়াও করেছিলেন মন্ত্রী ভগবান দাস। প্রশ্ন হচ্ছে না চাইতেই কর্মচারীদের কচকচে নোট মাসগেলে মিলছে, তাহলে কি মন্ত্রীদের প্রতিদিন অফিসে গিয়ে দেখতে হবে কে কখন আসল বা গেল?