স্টাফ রিপোর্টার, আগরতলা, ২৮ মার্চ।। রাজধানী আগরতলা শহর ও শহরতলীর এলাকায় চুরির ঘটনা ব্যাপকহারে বৃদ্ধি পেয়েছে। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই নেশাগ্রস্তরা এ ধরনের চুরি কাণ্ডে জড়িত বলে জানা গেছে।
গতকাল রাতে কোন এক সময়ে রাজধানী আগরতলা শহরের কের চৌমুহনী এলাকায় রাস্তার পাশের একটি মোবাইল ফোন বিক্রয় কেন্দ্রে দুঃসাহসিক চুরির ঘটনা ঘটে। জানা যায় দোকানের মালিক গতকাল রাতে দোকান বন্ধ করে বাড়িতে যান। সোমবার সকালে স্থানীয় লোকজন দোকানের শাটার ভাঙ্গা দেখে দোকানের মালিককে খবর দেন।
খবর পেয়ে দোকানের মালিক সেখানে ছুটে যান। তিনি গিয়ে লক্ষ করেন দোকানের সাঁতার কেটে চোরেরা ভিতরে ঢুকে দোকানের প্রায় সবগুলো মোবাইল ফোন চুরি করে নিয়ে গেছে। দোকান মালিক জানান ৫লক্ষাধিক টাকার মোবাইল ফোন চোরেরা হাতিয়ে নিয়ে গেছে। এ ব্যাপারে দোকানের মালিক পুলিশের কাছে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ দায়ের করেছেন। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। তবে চুরি যাওয়া মোবাইল ফোন কিংবা চোরকে আটক করা সম্ভব হয়নি।
দোকানের মালিক অভিযোগ করেছেন মূল সড়কের পাশে ব্যস্ততম জায়গায় এ ধরনের চুরির ঘটনা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। পুলিশি টহল নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন তিনি। পুলিশ সক্রিয় থাকলে কিভাবে মূল সড়কের পাশে সাঁতার কেটে দোকানে ঢুকে এধরনের দুঃসাহসিক চুরির ঘটনা সংঘটিত করতে পারে তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয় মানুষজন। রাত্রিকালীন নিরাপত্তা নিয়ে আগরতলা শহর ও শহরতলীর জনগণের মধ্যে সংশয় ক্রমশ বেড়েই চলেছে।
এদিকে সোমবার আগরতলা ফায়ার সার্ভিস চৌমুহনী সংলগ্ন এলাকায় সন্দেহভাজন এক চোরকে আটক করা হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দারা সন্দেহভাজন ওই যুবককে আটক করে তার কাছ থেকে হাতুড়ি হেস্কো ব্লেড তালা সহ অন্যান্য জিনিসপত্র উদ্ধার করতে সক্ষম হয়েছে। সন্দেহভাজন আটক চোরকে আটক করে স্থানীয় বাসিন্দারা পুলিশকে খবর দেন।
খবর পেয়ে বটতলা আউটপোস্ট এর পুলিশ ঘটনাস্থলে ছুটে এসে সন্দেহভাজন ওই চোরকে থানায় নিয়ে যায়। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে পুলিশ। সে বিভিন্ন চুরির ঘটনায় জড়িত রয়েছে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। তার কাছ থেকে স্বীকারোক্তি আদায়ের চেষ্টা অব্যাহত রেখেছে পুলিশ।