অনলাইন ডেস্ক, ১৭ মার্চ ।। প্রয়াত হলেন ল্যান্স নায়েক এম অ্যান্টনি দাস পেরেরা। তিনি ছিলেন ১৯৭১ সালের ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধের সাক্ষী। আজীবন ভারতীয় সেনাবাহিনীর অবিচ্ছেদ্য একজন। ১২ মার্চ মুম্বইতে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে পেরেরার । ভারতীয় হুইলচেয়ার স্পোর্টিং হিরো হিসাবে বিবেচিত হয় তাঁর নাম। তিনি সেই সকল জওয়ানদের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস ছিলেন যাঁরা বিশেষভাবে সক্ষম।
তিনি পরে জাতীয় দলের কোচ হয়েছিলেন। তারও আগে তিনি অধিনায়কত্ব করেছিলেন ভারতের হয়ে। ১৯৭৪ সাল থেকে, তিনি আর্মির প্যারাপ্লেজিক রিহ্যাবিলিটেশন সেন্টারে (PRC) ছিলেন। বছরের পর বছর বিভিন্ন প্যারাপ্লেজিক হুইলচেয়ার-আবদ্ধ সৈন্যদের পথ দেখিয়েছিলেন। ডিউটি করতে গিয়ে বহু জওয়ান স্বাভাবিক জীবন থেকে ব্যহত হন। হুইল চেয়ারে কাটাতে হয় বাকি জীবন। তাঁদের পাশে থাকতেন অ্যান্টনি দাস পেরেরা।
তিনি একজন ক্রীড়া নায়ক ছিলেন, যিনি স্থায়ী আঘাতের পর বিশ্বাস হারিয়ে সৈন্যদের মধ্যে ক্রীড়া মূল্যবোধ ও চেতনা জাগিয়েছিলেন।
জানা গিয়েছে, পেরেরা পিআরসি-তে সদ্য ভর্তি হওয়া সৈন্যদের শুধু অনুশীলনের দক্ষতাই শেখাননি। বরং তাদের কীভাবে স্বাভাবিক জীবনযাপন করতে হয় তাও শিখিয়েছেন। হুইলচেয়ারে আবদ্ধ থাকা সত্ত্বেও, তাদের নির্দেশিকা এবং মানসিক সহায়তা প্রদান করেছেন তিনি। কয়েক দশক ধরে, তিনি আহত সৈন্যদের জীবনে অসাধারণ অবদান রেখেছিলেন।