অনলাইন ডেস্ক, ১৬ মার্চ ।। গাঁটের ব্যথার কারণে হাঁটা-চলার স্বাভাবিক গতি কমে আসে। কর্মদক্ষতাও হ্রাস পায়। এই পরিস্থিতিতে জীবনযাপন থেকে শুরু করে খাদ্যাভ্যাসেও অনেকটাই বদল আনতে হবে। অনেক ক্ষেত্রেই খাদ্যাভ্যাসের ভুলত্রুটির কারণে বেড়ে যেতে পারে এই সমস্যা।
প্রোবায়োটিক জাতীয় খাবার: দই, ছাঁচ, আচার ইত্যাদি খাবার প্রোবায়োটিকের ভালো উৎস। এই খাদ্যগুলো শরীরের কর্টিসলের মাত্রা কমায়। ফলে অবসাদ কমে। মানসিক স্বাস্থ্যের উন্নতি হয়। তবে যেকোনো ব্যথায় ভুগলে এই ধরনের খাবার না খাওয়াই ভালো। ব্যথা বেড়ে যেতে পারে।
মিষ্টি: যে কোনো মিষ্টি জাতীয় খাবার গাঁটের ব্যথার সমস্যা আরও বাড়িয়ে দিতে পারে।
ফাইবার: খাদ্যতালিকায় পর্যাপ্ত পরিমাণ ফাইবার না থাকলে গাঁটের ব্যথা আরও বাড়বে। তাই সতর্ক থাকুন।
প্রক্রিয়াজাত খাবার: এই ধরনের খাবার দীর্ঘ দিন ভালো রাখার জন্য বিভিন্ন ধরনের রাসায়নিক পদার্থ ব্যবহার করা হয়। এ ছাড়াও এই রকম খাবারে অতিরিক্ত মাত্রায় নুন ও চিনি ব্যবহার করা হয়। গাঁটের ব্যথার সমস্যা থাকলে এই খাবার এড়িয়ে চলাই ভালো।
মদ্যপান: মদ্যপান গাঁটের ব্যথার সমস্যা বাড়িয়ে দিতে পারে। তাই মদ্যপান না করাই ভালো।
ভাজাভুজি: অত্যধিক ভাজাভুজি খেলে ওজন বাড়বেই। ওজন বাড়লে হাঁটুর উপরে চাপ পড়ে। ফলে গাঁটের ব্যথা আরও বেড়ে যায়।