অনলাইন দেস্ক, ১৪ মার্চ।। বার্সেলোনার হয়ে পঞ্চম ফুটবলার হিসেবে ৬০০তম ম্যাচের মাইলফলকে পা রাখলেন জেরার্ড পিকে। এই অনন্য উচ্চতায় ওঠার রাতে স্প্যানিশ ডিফেন্ডারকে জয় উপহার দিয়েছে তার সতীর্থরা।
ঘরের মাঠ ক্যাম্প ন্যুয়ে ওসাসুনাকে ৪-০ গোলে হারিয়েছে বার্সা। সেই সঙ্গে লা লিগার পয়েন্ট তালিকাতেও তিনে উঠে এলো কাতালান জায়ান্টরা।
শৈশব থেকে বার্সার ভক্ত পিকে। কাতালোনিয়ান ক্লাবটির যুব দলেও ছিলেন তিনি। কিন্তু ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড তাকে নিয়ে যায়। রেড ডেভিলদের যুব দলে নিজেকে প্রমাণ করার পর ২০০৪ সালে মূল দলে অভিষেক হয় এই সেন্টার-ব্যাকের।
ইংল্যান্ড পর্ব শেষে ২০০৮ সালে ফের স্পেনে ফেরেন পিকে। পূরণ হয় বার্সার হয়ে খেলার স্বপ্ন। স্প্যানিশ জায়ান্টদের হয়ে ১৪ বছরে খেলে ফেললেন ৬০০তম ম্যাচ। বার্সার প্রথম ডিফেন্ডার হয়ে এই মাইলফলকে পা রাখলেন তিনি।
গত ফেব্রুয়ারিতে সাবেক সতীর্থ কার্লোস পুয়োলকে টপকে যান তিনি। ক্যাম্প ন্যুয়ে বর্তমানে খেলে যাচ্ছেন এমন খেলোয়াড়দের মধ্যে পিকের চেয়ে বেশি ম্যাচ খেলেছেন কেবল সার্জিও বুসকেটস। ৬৬৭ ম্যাচ খেলে এই তালিকায় চারে আছেন স্প্যানিশ মিডফিল্ডার।
সাবেক বার্সা ও স্প্যানিশ ডিফেন্ডার পুয়োল খেলেছেন ৫৯৩ ম্যাচ। বার্সার হয়ে সর্বোচ্চ ম্যাচ খেলেছেন লিওনেল মেসি। গত বছর পিএসজিতে যোগ দেওয়ার আগে কাতালান জায়ান্টদের হয়ে ৭৭৮ ম্যাচ খেলেন আর্জেন্টাইন ফরোয়ার্ড।
এরপরে আছেন ক্যাম্প ন্যুর বর্তমান কোচ জাভি। সাবেক এই মিডফিল্ডার খেলেছেন ৭৬৭ ম্যাচ। ৬৭৪ ম্যাচ নিয়ে তিনে আন্দ্রেস ইনিয়েস্তা। বর্তমানে জাপানিজ ক্লাব ভিসেল কোবেতে খেলছেন এই কিংবদন্তি মিডফিল্ডার।
৩৫ বছর বয়সী পিকে বার্সার হয়ে লা লিগায় ৩৮৭, চ্যাম্পিয়নস লিগে ১২২ ও কোপা দেল রে’তে খেলেছেন ৬৫ ম্যাচ। এছাড়া সুপারকোপায় ১৬, ক্লাব বিশ্বকাপে ৫, ইউরোপা লিগে ৩ ও ইউরোপিয়ান সুপার কাপে ২ ম্যাচ খেলেছেন।
বার্সার হয়ে মোট ৪১০ জয় পেয়েছেন পিকে। গোল করেছেন ৫৩টি। ইউরোপা লিগে খেললেও কেবল এই আসরের শিরোপা ছাড়া ওপরে উল্লেখিত সব প্রতিযোগিতার শিরোপার স্বাদ পেয়েছেন তিনি। জিতেছেন মোট ৩০টি শিরোপা।